প্রেস রিলিজঃ
মানবিকতা, নৈতিকতা, জনসচেতনতা, নিরাপদ চিকিৎসা ও ঔষধকে নিরাপদ করার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করা সংগঠন “নিরাপদ ঔষধ চাই”-প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা বিশিষ্ট হাফেজ ও কারি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ।
ধর্মীয় জ্ঞান, তেলাওয়াত, নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা ও মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারাকে বিবেচনায় নিয়ে তাকে “নিরাপদ ঔষধ চাই”-প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কোরআনের হিফজ থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ একজন দক্ষ হাফেজ ও কারি। কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে তার রয়েছে বিশেষ দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং বিশ্ব জয় করেন। তার এই আন্তর্জাতিক অর্জন ধর্মীয় অঙ্গনে তার মেধা, অধ্যবসায় ও কোরআনের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় বহন করে।
কাতারে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনঃ
কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষায় দক্ষতার পাশাপাশি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ কাতার সরকারের অধিনে ইমাম হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি ধর্মীয় নেতৃত্ব, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ধর্মীয় জ্ঞান ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এই সমন্বয়ই তাকে একজন দক্ষ ধর্মীয় সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আহলুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ বর্তমানে আহলুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি সংগঠক হিসেবে তার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা “নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর সাংগঠনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নিরাপদ চিকিৎসার আন্দোলনে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সংযোজনঃ
“নিরাপদ ঔষধ চাই” প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ঔষধ, মানহীন ঔষধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, অননুমোদিত চিকিৎসা কার্যক্রম এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনটির মতে, মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার সংগ্রাম শুধু চিকিৎসা ও ঔষধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সততা, নৈতিকতা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও গভীরভাবে জড়িত।
এই দৃষ্টিকোণ থেকেই মোহাম্মদ নাজির উল্লাহকে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। তার ধর্মীয় জ্ঞান ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সংগঠনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে “নিরাপদ ঔষধ চাই”।
নতুন দায়িত্বে নতুন প্রত্যাশাঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহর এই মনোনয়নকে সংগঠনের অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষায় দক্ষতা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জন, ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা এবং একজন সংগঠক হিসেবে তার ভূমিকা-সব মিলিয়ে তিনি সংগঠনের ধর্মীয় ও নৈতিক বিষয়ক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সততা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা তৈরিতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
“নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে হাফেজ কারি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহকে নতুন দায়িত্বে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, তার মেধা, প্রজ্ঞা, ধর্মীয় জ্ঞান ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে “নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল হবে এবং মানুষের নিরাপদ চিকিৎসা ও নিরাপদ ওষুধের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
বিষয় : সারাদেশ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রেস রিলিজঃ
মানবিকতা, নৈতিকতা, জনসচেতনতা, নিরাপদ চিকিৎসা ও ঔষধকে নিরাপদ করার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করা সংগঠন “নিরাপদ ঔষধ চাই”-প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা বিশিষ্ট হাফেজ ও কারি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ।
ধর্মীয় জ্ঞান, তেলাওয়াত, নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা ও মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারাকে বিবেচনায় নিয়ে তাকে “নিরাপদ ঔষধ চাই”-প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কোরআনের হিফজ থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ একজন দক্ষ হাফেজ ও কারি। কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে তার রয়েছে বিশেষ দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং বিশ্ব জয় করেন। তার এই আন্তর্জাতিক অর্জন ধর্মীয় অঙ্গনে তার মেধা, অধ্যবসায় ও কোরআনের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় বহন করে।
কাতারে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনঃ
কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষায় দক্ষতার পাশাপাশি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ কাতার সরকারের অধিনে ইমাম হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি ধর্মীয় নেতৃত্ব, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ধর্মীয় জ্ঞান ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এই সমন্বয়ই তাকে একজন দক্ষ ধর্মীয় সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আহলুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ বর্তমানে আহলুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি সংগঠক হিসেবে তার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা “নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর সাংগঠনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নিরাপদ চিকিৎসার আন্দোলনে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সংযোজনঃ
“নিরাপদ ঔষধ চাই” প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ঔষধ, মানহীন ঔষধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, অননুমোদিত চিকিৎসা কার্যক্রম এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনটির মতে, মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার সংগ্রাম শুধু চিকিৎসা ও ঔষধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সততা, নৈতিকতা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও গভীরভাবে জড়িত।
এই দৃষ্টিকোণ থেকেই মোহাম্মদ নাজির উল্লাহকে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। তার ধর্মীয় জ্ঞান ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সংগঠনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে “নিরাপদ ঔষধ চাই”।
নতুন দায়িত্বে নতুন প্রত্যাশাঃ
মোহাম্মদ নাজির উল্লাহর এই মনোনয়নকে সংগঠনের অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষায় দক্ষতা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জন, ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা এবং একজন সংগঠক হিসেবে তার ভূমিকা-সব মিলিয়ে তিনি সংগঠনের ধর্মীয় ও নৈতিক বিষয়ক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সততা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা তৈরিতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
“নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে হাফেজ কারি মোহাম্মদ নাজির উল্লাহকে নতুন দায়িত্বে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, তার মেধা, প্রজ্ঞা, ধর্মীয় জ্ঞান ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে “নিরাপদ ঔষধ চাই”-এর জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল হবে এবং মানুষের নিরাপদ চিকিৎসা ও নিরাপদ ওষুধের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন